
Slipper Making Machine : সামান্য বিনিয়োগে এই ব্যবসা শুরু করে তিনগুণ লাভ করুন । রাতারাতি পাল্টে ফেলুন জীবন !
বর্তমানে বাংলা এবং বাংলাদেশ দুটি জায়গাতেই যুবক-যুবতীদের মানসিকতায় একটি বড় পরিবর্তন শুরু হয়েছে । সেই পরিবর্তনটি কি ! আসলে আমরা বাঙালিরা বরাবরই সুখের কাজ করতে পছন্দ করি । আর সে কারণেই আমাদের এতদিনে প্রথম পছন্দ ছিল চাকরি । আমরা সকলেই চাই একটি চাকরি ।
এর প্রধান কারণ হলো এতে একটি ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা রয়েছে । কিন্তু মজার বিষয় হলো চাকরিতে ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা থাকলেও আসলে ব্যবসাতে রয়েছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নিশ্চয়তা ।
Join Our Whatsapp Group – Click Here
আশা করি আমি কি বলতে চাইছি আপনারা বুঝতে পারছেন । যদি আপনি ব্যবসা ঠিকঠাক দাঁড় করাতে পারেন সেক্ষেত্রে শুধু আপনার নয় আপনার সন্তান সন্ততির জীবনও এই ব্যবসার উপরে ভরসা করেই কেটে যাবে । কিন্তু ব্যবসা করলে গতানুগতিক যে ব্যবসা গুলি রয়েছে সেগুলি না করাই ভালো । তাইতো আপনাদের জন্য আমি সবসময়ই নিয়ে আসি কিছু ইউনিক ব্যবসার সন্ধান ।
আজও তার অন্যথা হবে না । আজ আপনাদের সামনে যে ব্যবসাটি কথা তুলে ধরব সেটির কোন অফ সিজন নেই । অর্থাৎ সারা বছরই এই প্রোডাক্টের চাহিদা রয়েছে । একটি বাচ্চা যখন থেকে হাঁটতে শুরু করে সেই সময় থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তার প্রয়োজন এই প্রোডাক্টটির ।
আশা করি বুঝতেই পারছেন তাহলে প্রোডাক্টটি চাহিদা কি রকম হতে পারে । এবং এই ব্যবসাটির আরেকটি ভালো দিক হলো এতে উৎপাদিত পণ্যের নষ্ট হয়ে যাওয়ার কোন ভয় নেই । অর্থাৎ এতে কোনো এক্সপায়ারি ডেট নেই । আপনি চাইলে এক মাস কিংবা দু মাস কিংবা ছয় মাসও এই প্রোডাক্ট আপনার বাড়িতেই রেখে দিতে পারেন । আপনি আপনার সময় মত বিক্রি করতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ এই মেশিনটি কিনে প্রতি ঘণ্টায় আয় করুন ২০০ টাকা !
হ্যাঁ বন্ধুরা চলুন আর বেশি ভূমিকা না করে চলে যায় সরাসরি আজকের ব্যবসার বিষয়ে । আজকের ব্যবসাটি হল স্লিপার মেকিং মেশিন । অর্থাৎ চপ্পল তৈরীর ব্যবসা । যে জিনিসটা ছাড়া আপনার আমরা বাড়ির বাইরে এক পাও ফেলতে পারি না । কারণ বর্তমানে আমরা সকলেই খালি পায়ে হাটতে ভুলে গেছি ।
Slipper Making Machine
এই ব্যবসা শুরু করার আগে আমি কিছু কথা আপনাদের অবশ্যই বলে নিতে চাইবো । কোন ব্যবসা শুরু করার আগে প্রথম যে চিন্তাটি শুরু হয় সেটি হল সেই ব্যবসার উৎপাদিত পণ্য কোথায় বিক্রি করব । তো বন্ধুরা প্রতিবারের মতো আমাদের তরফ থেকে আপনাদের একটি বিশেষ অফার রয়েছে । আমরা আপনাদেরকে সেই হদিশও দিয়ে দেবো যেখানে আপনারা আপনাদের উৎপাদিত চপ্পল বা স্লিপার বিক্রি করতে পারবেন ।
প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। আমি বিশ্বাস রাখি এই প্রতিবেদনটি যদি আপনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়েন তাহলে আজকের এই ব্যবসাটি সম্বন্ধে আপনার অন্য কোন প্রশ্ন থাকবে না ।
তারপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তার জন্য আমরা আমাদের নম্বর এই প্রতিবেদনের শেষে দিয়ে দেব সেখানে আপনি আপনার সমস্ত প্রশ্ন ফোন করেই জেনে নিতে পারবেন । তো চলুন এবার শুরু করা যাক ।
চটি তৈরির ব্যবসার প্রাথমিক ধারণা –
প্রথমে চপ্পল তৈরির প্রক্রিয়া সম্বন্ধে প্রাথমিক ধারণা দিয়ে রাখি ।চপ্পল তৈরির ক্ষেত্রে কাঁচামাল বলতে সোল এবং তার ফিতে । প্রথমে সোলটিকে একটি নির্দিষ্ট মাপে ডাইস আকারে কেটে নিতে হয় । তারপর সেই কেটে নেওয়া সোলটিকে গ্রাইন্ডিং মেশিনের মাধ্যমে পালিশ করে মসৃণ করে নিতে হয়। এবার ড্রিলের মাধ্যমে শোলের নির্দিষ্ট জায়গায় ছিদ্র করে মেশিনের সাহায্যে ফিতে পরিয়ে দিতে হয় । ব্যাস আপনার স্লিপার বা চপ্পল তৈরি হয়ে যাবে।
এই পুরো পদ্ধতি যেটা বললাম সেটা হল একটি ম্যানুয়াল মেশিনের পদ্ধতি । চলুন এবার একটু বিস্তারিতভাবে প্রত্যেকটা বিষয় জেনে নেওয়া যাক ।
স্লিপার তৈরি করতে কি কি জিনিস লাগে ?
স্লিপার বা চপ্পল তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজন মেশিন ( Slipper Making Machine ) , চটি তৈরির বিভিন্ন আকারের ডাইস , চপ্পল বা স্লিপারের সোল , এবং ফিতে । এই সমস্ত জিনিস আমারা নিচে যে ঠিকানা দেব সেখান থেকে সবথেকে সস্তায় পেয়ে যাবেন । আপনি ভারতবর্ষের যেকোন প্রান্তেই থাকুন না কেন চাইলে বাড়িতে বসেই আপনি সবকিছুই ডেলিভারি পেয়ে যাবেন ।
আরও পড়ুনঃ বেকার বসে না থেকে ঘরের ভিতরেই মাত্র ১০০০ টাকা বিনিয়োগে এই চাষ করুন , লাভ দেখলে চমকে যাবেন
স্লিপার বা চটি তৈরির ব্যবসায় কতটুকু জায়গার প্রয়োজন হয় ?
স্লিপার বা চপ্পল তৈরির ব্যবসা আপনি চাইলে আপনার বাড়ি থেকেই শুরু করতে পারেন । এর জন্য একদমই বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না । স্লিপার তৈরির মেশিন আপনার ঘরে যে কোন জায়গায় রেখে সুন্দর ভাবে ব্যবসাটিকে পরিচালনা করতে পারেন ।
এবার আপনি যদি চান এটিকে একটি বড় কারখানা হিসেবে গড়ে তুলবেন আপনি তাও করতে পারেন ।
মূল কথা হলো আপনি আপনার প্রয়োজন এবং সামর্থ্য অনুসারে এই ব্যবসাটিকে ছোট বা বড় জায়গায় শুরু করতে পারেন ।
চটি তৈরির মেশিন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা ( Slipper Making Machine ) –
স্লিপার বা চপ্পল তৈরির ক্ষেত্রে দুই ধরনের মেশিন পাওয়া যায় । একটি ম্যানুয়েল মেশিন এবং অন্যটি অটোমেটিক মেশিন । তো প্রথমে জেনে নি ম্যানুয়েল মেশিন সম্পর্কে ।
ম্যানুয়েল মেশিন –
স্লিপার বা চপ্পল তৈরির ক্ষেত্রে যে ম্যানুয়াল মেশিন রয়েছে সেটিকে আমরা তিনটি ভাগে আলোচনা করতে পারি । যথা –
ম্যানুয়াল মেশিন এর প্রথম অংশটি হলো সোল কাটিং মেশিন । এর মাধ্যমে চটির সোলগুলিকে ডাইসের সাহায্যে নির্দিষ্ট আকারে কাটা হয় ।
ম্যানুয়েল মেশিনের দ্বিতীয় অংশটি হল গ্রাইন্ডিং মেশিন । এর সাহায্যে কেটে নেওয়া স্লিপারের টিকে পালিশ করে মসৃণ করে নেয়া হয় । একই সাথে এর সাথে যুক্ত থাকে ড্রিল মেশিন । যার সাহায্যে সোলের মধ্যে নির্দিষ্ট জায়গায় ফিতে পড়ানোর জন্য ছিদ্র করা হয় ।
এ মেশিনের তৃতীয় অংশটি হলো যার সাহায্যে ফিতে পড়ানো হয় । এটি একটি হুকের মত দেখতে ।
উপরের বর্ণনা শুনে হয়তো আপনার মনে হতে পারে বিষয়টি খুবই জটিল । কিন্তু বিশ্বাস রাখুন এর মতো সহজ জিনিস আর কিছু নেই ।
ম্যানুয়েল মেশিনের সাহায্যে ঘন্টায় ৮০ থেকে ১০০ জোড়া স্লিপার তৈরি করা সম্ভব ।
অটোমেটিক মেশিন –
এবার আসি অটোমেটিক মেশিনের কথায় । নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এর দাম এবং কর্মক্ষমতা ম্যানুয়েল মেশিন এর তুলনায় অনেক বেশি । যেখানে ম্যানুয়াল মেশিন ঘন্টায় ৮০ থেকে ১০০ জোড়া স্লিপার তৈরি করতে সক্ষম । সেখানে অটোমেটিক মেশিনের সাহায্যে প্রায় আড়াইশো জোড়া স্লিপার তৈরি করতে পারবেন ।
উৎপাদিত স্লিপার বা চটি আপনি কিভাবে বিক্রি করবেন ?
ধরা গেল আপনি মেশিন কিনে উৎপাদন শুরু করে দিয়েছেন ।এবার আপনার কাছে সব থেকে বড় প্রশ্ন হল আপনি এই উৎপাদিত চপ্পলগুলি বা স্লিপারগুলি কোথায় বিক্রি করবেন । প্রাথমিকভাবে আপনি নিজেও বুঝতে পারছে এর চাহিদা সর্বত্র রয়েছে । তাই আপনি লোকাল বাজারেই খুচরা এবং পাইকারি দুইভাবেই বিক্রি করতে পারবেন । হাটে বাজারে যেখানেই যান না কেন আপনি যখন কম দামে ক্রেতাকে জিনিসটি সরবরাহ করবেন তখন তিনি আপনার কাছ থেকেই কিনতে বাধ্য ।
আপনার এলাকায় যে সমস্ত ডিস্ট্রিবিউটার আছে তাদের কাছেও আপনার উৎপাদিত পন্য সরবরাহ করতে পারবেন ।
বর্তমানে ইন্টারনেট বিক্রির একটি প্রধান মাধ্যম । আপনি চাইলে Google, Facebook, Youtube- এ অল্প টাকা খরচ করে আপনার তৈরি স্লিপার বা চপ্পলের বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার করতে পারবেন ।
আবার সেলসম্যান নিয়োগ করেও আপনি আপনার পন্য বিক্রি করতে পারেন ।
আরও পড়ুনঃ অত্যন্ত কম পুঁজিতে এই ব্যবসাটি শুরু করুন । অচিরেই হবে লক্ষ্মীলাভ ।
এবার আমাদের কর্মসাথী পোর্টালের পাঠকদের জন্য একটি সুখবর । যারা এই প্রতিবেদনটি পড়ছেন তাদের জন্য নিচে একটি ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দেওয়া হয়েছে । আপনারা যখন সেখানে যোগাযোগ করবেন ওনারাই আপনাদের বলে দেবেন কিভাবে বিক্রি করতে হবে ? কোথায় বিক্রি করতে হবে। এমনকি ওনাদের নিজস্ব হোলসেলার রয়েছেন যারা সরাসরি আপনাদের সমস্ত মাল কিনে নেবেন । তাই এবার আর উৎপাদিত পন্য কোথায় বিক্রি করবেন সেই চিন্তা ছেড়ে দিন । আপনার উৎপাদিত পন্য বিক্রির সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেবে কোম্পানি । আপনি শুধু উৎপাদন করে যান । বিক্রির চিন্তা কোম্পানির উপর ছেড়ে দিন ।
স্লিপার তৈরি মেশিন চালনার প্রশিক্ষণ ( Slipper Making Machine )–
বন্ধুরা এই মেশিন যখন আপনি কিনবেন । আপনার বাড়িতে গিয়ে অপারেটর সেটি ইনস্টল করে দেবেন । সাথে সাথে আপনাকে ট্রেনিং দিয়ে সম্পূর্ণ শিখিয়ে দেবেন কিভাবে সেই মেশিনটি চালনা করতে হবে । আপনাকে মেশিন চালানো শিখিয়ে দেবে কোম্পানিই । তাই এবার নিশ্চয়ই এই চিন্তাটিও দূর হয়েছে ।
স্লিপার তৈরি ব্যবসায় লাভ কেমন ?
এবার আসি আসল কথায় । যে কারনে ব্যবসাটি করা অর্থাৎ লাভের কথায় । আপনি হয়তো ধারনা করতে পারছেন না এই ব্যবসায় লাভ কত হতে পারেন । যদি বলি ডবল লাভ তাহলে হয়তো অবাক হবেন । কিন্তু আমি আপনাকে নিচে ধরে ধরে হিসাব দিয়ে দিচ্ছি । আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এই ব্যবসাটি কেন আপনার আজ থেকেই শুরু করা উচিত ।
প্রথমে একটি সাধারন ধারনা দি । একজোড়া চপ্পল তৈরি করতে আপনার খরচ হবে ২২ থেকে ২৫ টাকা । এবং সেই চপ্পল আপনি ৬০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন । খুচরা মার্কেটে দাম বেশি পাবেন । আর হোলসেলে দাম হয়তো একটু কম পাবেন ।
তো চলুন এবার একটু হিসাবটা আরও সহজে বুঝে নি । একটি সোলের দাম ২৫০ টাকা । জেখান থেকে ১৫ থেকে ২০ জোড়া পর্যন্ত সোল কাটিং করা যাবে । সেক্ষেত্রে ১৫ জোড়া ধরে হিসাব করলেও ১ জোড়া সোলের দাম পড়ছে ১৬ টাকা ৬০ পয়সা । এবার আসি ফিতের দামে । ১৬ টাকায় ১ ডজন ফিতে পাওয়া যায় । অর্থাৎ ১ জোড়া ফিতের দাম কমবেশি ১ টাকা ৫০ পয়সা । তাহলে মোট এক্ জোড়া স্লিপারের দাম পড়ছে ১৬ + ১.৫০ = ১৭.৫০ পয়সা । আমি তর্কের খাতিরে ২০ টাকা ধরে নিলাম । আপনি যদি বাজারে সেই স্লিপারগুলি ৪০ টাকাতেও বিক্রি করেন আপনার লাভ হবে ২০ টাকা । আশা করি এবার বুঝতে পেরেছেন এই ব্যবসায় লাভের অঙ্ক ঠিক কোথায় গিয়ে পৌছাতে পারে ।
স্লিপার তৈরির ব্যবসা করতে গেলে কি কি লাইসেন্স লাগে-
প্রাথমিকভাবে স্লিপার তৈরির ব্যাবসার ক্ষেত্রে সেভাবে কোন লাইসেন্স লাগবে না ।তবে আপনি যদি আপনার ব্যবসা নিজের নামে ব্রান্ডিং করতে চান তখন আপনার একটি ট্রেড লাইসেন্স ও জিএসটি নাম্বার করে নেওয়া দরকার । এতে কোন আইনি সমস্যা হবে না । তবে যদি আপনি স্থানীয়ভাবে শুরু ছোট করে শুরু করেন সেক্ষেত্রে কোন লাইসেন্স লাগবে না ।
কোথা থেকে এই লাইসেন্স করা যাবে-
তাও জেনে রাখুন কোথা থেকে এই লাইসেন্স করা যাবে ? গ্রামাঞ্চলে হলে পঞ্চায়েত এবং বিডিও অফিসে যোগাযোগ করলেই এই ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারবেন। আর যেহেতু এখন অনলাইনের মাধ্যমেও লাইসেন্স করা যায়, তাই অনলাইনে আবেদন করলেই লাইসেন্স পেয়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে খুব বেশি হলে ২০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হতে পারে।
স্লিপার তৈরি মেশিনের দাম ( Slipper Making Machine ) –
এবার আসি স্লিপার মেশিনের দাম প্রসঙ্গে । আপনি আগেই আগেই জেনে নিয়েছেন ম্যানুয়েল এবং অটোমেটিক এই দুই ধরনের মেশিন রয়েছে ।
ম্যানুয়েল মেশিনের দাম –
আপনি আগেই জেনেছেন ম্যানুয়েল মেশিনের তিনটি অংশ আছে । এই তিনটি অংশই একত্রে আপনি ২০ হাজার টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন ।যার মধ্যে কাটিং মেশিন , গ্রাইন্ডিং মেশিন , ড্রিলিং মেশিন , ফিতে পরানোর মেশিন । দশটি বিভিন্ন আকৃতির ডাইস সবই পেয়ে যাবেন ।
অটোমেটিক মেশিনের দাম –
এবার আসি অটোমেটিক মেশিনের দামের প্রসঙ্গে । এর কর্মক্ষমতা যেমন বেশি তেমনই দামও ম্যানুয়েল মেশিনের তুলনায় বেশি । ঘরের বিদ্যুতের সাহায্যেই এই মেশিন চালাতে পারবেন । এই মেশিনের দাম ৮০ থেকে ৮৫ হাজারের মধ্যে পেয়ে যাবেন । তবে আপনি চাইলে আরও বেশি কর্মক্ষমতা সম্পন্ন অটোমেটিক মেশিনও পেয়ে যাবেন । কিন্তু সেক্ষেত্রে মেশিনের দাম আরও বেশি হবে ।
মেশিন এবং কাঁচামাল কোথায় পাবো ( Slipper Making Machine ) –
এবার আসি সবথেকে বড় প্রশ্নে ! স্লিপার তৈরির মেশিন এবং তার কাঁচামাল কোথায় পাবো ? কিন্তু আমি সবসময় বলি এর থেকেও বড় প্রশ্ন হল কোথায় মেশিন কিনলে ঠকতে হবে না ? আপনি হয়তো ইন্টারনেটে হাজার ঠিকানা পেয়ে যেতে পারেন । কিন্তু আমরা কখনই আপনাকে ভুল ঠিকানা দিয়ে বিভ্রান্ত করি না ।
বরাবরই কর্মসাথী পোর্টালে যে খবর প্রকাশিত হয় সেখান থেকে আপনারা সবসময়ই উপকৃত হন তাই আপনারা বারবার ফিরে ফিরে আসেন এই পোর্টালে । তাই আপনাদের জন্য স্লিপার তৈরির মেশিনের সেরা ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার নিচে দিলাম । যেখান থেকে আপনি সব থেকে কম দামে এবং সব থেকে ভালো মেশিন পেয়ে যাবেন ।
এখানে আরও একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে শুধু মেশিন কিনলেই হবেনা । যদি সেই মেশিনে কোন সমস্যা দেখা যায় তখন কি করবেন ? তাই আপনার অবশ্যই মেশিন খারাপ হলে তার সাপোর্ট কোথা থেকে পাবেন সেটিও জেনে রাখা দরকার । আমরা যে ঠিকানা দিচ্ছি সেখান থেকে মেশিন কিনলে ম্যানুয়েল মেশিনের ক্ষেত্রে ৩ বছর এবং অটোমেটিক মেশিনের ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের ওয়ারেণ্টি পাবেন । এই ওয়াড়েণ্টি সময়ে যদি আপনার মেশিনে সমস্যা দেখা যায় তাহলে কোম্পানির লোক আপনার বাড়িতে এসে সারিয়ে দিয়ে যাবে । এমনকি আপনি চাইলে মেশিন এক্সচেঞ্জও করতে পারেন ।
এবার আরও একটি বিষয় জেনে রাখুন আমি যে ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দেব তারা শুধু আপনাকে মেশিন বিক্রি করেই থেমে যাবেনা । আপনার মেশিনের উৎপাদিত পন্য বিক্রিরও দায়িত্ব নেবে । তারা যেহেতু দীর্ঘ বছর ধরে এই কাজ করছেন । তাই সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ওনাদের হোলসেলার রয়েছেন । আপনি চাইলে তাদেরকে আপনার উৎপাদিত পন্য বিক্রি করতে পারবেন ।
এই কোম্পানি আপনাকে মেশিন চালানোর সমস্ত প্রশিক্ষনও দেবেন । আমি যাদের কথা বলছি সেই কোম্পানির নাম ঈণ্ডিয়ান মেশিনারি । নিচে এই কোম্পানির ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দেওয়া হল –
Indian Machinary
Prajatantrapally , Sodepur ,
Nearest Railway Station Sodepur ,
Kolkata , West Bengal
Contact – 8597204256 / 8420746487
Facebook Page – Click Here
শিক্ষা , চাকরি , ব্যবসা , প্রকল্প , ব্যাঙ্ক , রেল তথা রাজ্য এবং দেশের TRENDING খবরের আপডেট পেতে আমাদের Whatsapp গ্রুপে জয়েন করুন । জয়েন করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন
Join Our Whatsapp Group – Click Here
- Platinum Diamond Rings UK: The Ultimate Guide to Luxury and DurabilitySpread the love When it comes to purchasing an engagement ring, wedding band, or special piece of jewelry, platinum diamond rings stand out for their unrivaled luxury, timeless beauty, and exceptional durability. Platinum, a precious metal that is both rare and enduring, is the perfect complement to the brilliance of diamonds, creating an elegant …
- White Diamond Engagement Rings: The Ultimate Symbol of Love and EleganceSpread the love When it comes to choosing the perfect engagement ring, few gemstones can rival the timeless elegance and enduring appeal of a white diamond. White diamonds have long been a symbol of purity, love, and commitment, making them the ideal choice for one of the most significant pieces of jewelry you’ll ever …
- Buy Diamonds for Investment: A Comprehensive Guide to Building Wealth with DiamondsSpread the love When most people think of buying diamonds, they envision engagement rings, anniversary gifts, or luxurious jewelry pieces. However, diamonds have also become a popular investment asset in recent years. As a tangible and timeless commodity, diamonds offer unique advantages for those looking to diversify their investment portfolio and protect their wealth. …
- Best Diamond Investment: A Guide to Building Wealth with DiamondsSpread the love Diamonds are often seen as symbols of beauty, elegance, and luxury, but did you know that they can also be a smart investment? Over the years, diamonds have gained recognition as one of the best ways to store wealth and preserve value. Whether you’re looking to diversify your investment portfolio or …
- High-End Diamond Rings: A Timeless Investment in Luxury and EleganceSpread the love When it comes to celebrating special moments, few pieces of jewelry can match the allure of high-end diamond rings. Known for their exceptional quality, sophisticated design, and timeless beauty, these rings serve as a lasting symbol of love, commitment, and status. Whether you’re purchasing an engagement ring, an anniversary gift, or …


